PCOS হলো পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম, যা প্রজনন বয়সের মহিলাদের একটি হরমোনজনিত ব্যাধি। এতে ডিম্বাশয় বড় হয়ে যায় এবং ডিম্বস্ফুটনে বাধা দেয়, যার ফলে মাসিক অনিয়মিত বা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং পুরুষ হরমোন (অ্যান্ড্রোজেন) এর মাত্রা অতিরিক্ত হয়ে যায়। PCOS-এর কারণে অতিরিক্ত লোম, ব্রণ, ওজন বৃদ্ধি, এবং উর্বরতার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
PCOS-এর প্রধান লক্ষণগুলো:
অনিয়মিত মাসিক: মাসিক খুব কম, অনিয়মিত বা দীর্ঘ সময় ধরে হতে পারে।
ডিম্বাশয়ে সিস্ট: ডিম্বাশয়ে অনেক ছোট সিস্ট তৈরি হতে পারে, যা স্বাভাবিক ডিম্বস্ফুটনে বাধা দেয়।
অতিরিক্ত অ্যান্ড্রোজেন: পুরুষ হরমোনের মাত্রা বেশি থাকার কারণে মুখে বা শরীরের অন্যান্য অংশে অতিরিক্ত লোম দেখা দেয়।
ত্বকের সমস্যা: অতিরিক্ত অ্যান্ড্রোজেন তৈলাক্ত ত্বক এবং ব্রণের কারণ হতে পারে।
ওজন বৃদ্ধি: অনেকের ক্ষেত্রে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে।
উর্বরতার সমস্যা: অনিয়মিত ডিম্বস্ফুটনের কারণে গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে।
PCOS-এর কারণ:
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা PCOS-এর একটি প্রধান কারণ।
ইনসুলিন প্রতিরোধও একটি কারণ হতে পারে।
কিশোর বয়সে হরমোন পরিবর্তনের কারণে লক্ষণগুলো শুরু হতে পারে।
নির্ণয় ও চিকিৎসা:
PCOS নির্ণয়ের জন্য কোনও একক পরীক্ষা নেই, বরং হরমোনের মাত্রা, আলট্রাসাউন্ড এবং অন্যান্য শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে এটি নির্ণয় করা হয়।
এর চিকিৎসায় সাধারণত মেটফরমিনের মতো ওষুধ, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং প্রয়োজনে ল্যাপারোস্কোপির মতো ছোট সার্জারি অন্তর্ভুক্ত থাকে।
