Frequently Asked Questions
পিসিওএস হলো পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম, একটি হরমোনজনিত সমস্যা যেখানে ডিম্বাশয়ে অতিরিক্ত অ্যান্ড্রোজেন তৈরি হয়। এর ফলে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয় এবং ডিম্বস্ফোটন অনিয়মিত হয়ে পড়ে।
জিনগত এবং পরিবেশগত কারণের সম্মিলিত প্রভাবে পিসিওএস হতে পারে। এটি মূলত অতিরিক্ত অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের কারণে ঘটে থাকে, যা ডিম্বাশয়ের উপর প্রভাব ফেলে।
হ্যাঁ, পিসিওএস বন্ধ্যাত্বের অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে। অনিয়মিত ডিম্বস্ফোটনের কারণে গর্ভধারণ করা কঠিন হয়ে যায়।
না, PCOD এবং PCOS এক নয়। PCOD-তে সাধারণত সিস্টিক ডিম্বাশয় দেখা যায়, কিন্তু PCOS একটি বিস্তৃত অবস্থা যেখানে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং বিপাকীয় সমস্যাও অন্তর্ভুক্ত থাকে। দুটি অবস্থার লক্ষণগুলো প্রায়ই একই রকম হতে পারে, কিন্তু কারণ এবং চিকিৎসা ভিন্ন হতে পারে।
এটা একটা অত্যন্ত পরিচিত সমস্যা, ফলে অকারণ চিন্তা করে স্ট্রেস বাড়াবেন না। ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন। এবং একটা প্ল্যান ছকে ফেলুন গর্ভধারণ করার জন্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কিন্তু একটি পজিটিভ জীবনযাপন দারুন পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়। এবং সহজেই গর্ভধারণ করা যায়। যাঁদের হরমোনাল কারেকশন দরকার হয় তাঁদের বিভিন্ন উপায়ে ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞেরা সাহায্য করে থাকেন। চিকিৎসাবিজ্ঞান এখন অনেকটাই উন্নত হয়েছে, ফলে গোটা বিষয়টায় অত্যন্ত সহজ হয়ে গিয়েছে, তাই কোনও ব্যথা বা অসুবিধা ছাড়া গর্ভধারণ করা সম্ভব।
কোনও ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন গোটা বিষয়টা বোঝার জন্য। যদি আপনার বিএমআই বেশি থাকে তাহলে আপনার সবার আগে ওজন কমানো উচিত। গর্ভধারণের চান্স বাড়ানোর জন্য অন্তত ১৫-২০ টি ডিম্বাণু সংরক্ষণ করা উচিত।
যদি একজন মহিলা তাঁর ডিম্বাণু সংরক্ষণ করতে চান এবং ভালো মানের, পিসিওএস মুক্ত ডিম্বাণু পেতে চান তাহলে ত্রিশ বছরের আগেই সেটা করে ফেলতে হবে।
পিসিওএস হল অ্যানোভুলেটরি বন্ধ্যাত্বের সব থেকে পরিচিত একটি কারণ। এটা তখন হয়ে থাকে যখন কোনও মহিলার নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন হয় না। পিসিওএসের কারণে কখনও ডিম্বস্ফোটন পিছিয়ে যায় কখনও বা একদমই হয় না। এর কারণে সন্তানধারণে সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও পিসিওএস হলে ওজন বাড়ে, যার কারণেও সন্তানধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পিসিওএস হল অ্যানোভুলেটরি বন্ধ্যাত্বের সব থেকে পরিচিত একটি কারণ। এটা তখন হয়ে থাকে যখন কোনও মহিলার নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন হয় না। পিসিওএসের কারণে কখনও ডিম্বস্ফোটন পিছিয়ে যায় কখনও বা একদমই হয় না। এর কারণে সন্তানধারণে সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও পিসিওএস হলে ওজন বাড়ে, যার কারণেও সন্তানধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।